দৈন��ক আমার পত্র
জাতীয়২১ জুন, ২০২৬ | সন্ধ্যা ৭:১৫•পড়তে সময়: ২ মিনিট

ডেপুটি স্পিকারকে সতর্ক করার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পিসিসিপির স্মারকলিপি

সংসদে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের প্রতিবাদ; বক্তব্য কার্যবিবরণী থেকে প্রত্যাহার ও কঠোর নীতিমালা প্রণয়নের দাবি

আহমদ বিলাল খান
শেয়ার:FacebookWhatsAppX
ডেপুটি স্পিকারকে সতর্ক করার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পিসিসিপির স্মারকলিপি
জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের প্রতিবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) রাঙ্গামাটি জেলা শাখা।

রোববার (২১ জুন) দুপুরে পিসিসিপির একটি প্রতিনিধি দল রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ স্মারকলিপি পেশ করে। একই সঙ্গে এর অনুলিপি জাতীয় সংসদের স্পিকার, চিফ হুইপ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়েছে।

স্মারকলিপিটি রাঙ্গামাটির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. রুহুল আমিনের হাতে তুলে দেন সংগঠনের নেতারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পিসিসিপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. হাবীব আজম, রাঙ্গামাটি জেলা সভাপতি তাজুল ইসলাম তাজ, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক রিমন, সদস্য আশরাফুল ইসলাম, মো. আব্দুর রাজ্জাক, মো. অন্তরসহ অন্যান্য নেতাকর্মী।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৪ জুন জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আন্না মিনজ নিজেকে ‘ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী’ ও ‘সমতলের নৃ-গোষ্ঠী’র প্রতিনিধি হিসেবে পরিচয় দেন। তবে অধিবেশনে সভাপতিত্বকালে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহার করেন, যা সংগঠনের মতে সংবিধানের ভাষা ও রাষ্ট্রীয় নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

পিসিসিপি নেতৃবৃন্দ স্মারকলিপিতে দাবি করেন, বাংলাদেশের সংবিধানে ‘আদিবাসী’ শব্দের উল্লেখ নেই। সংবিধানের ২৩(ক) অনুচ্ছেদে ‘উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়’ শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি নির্দেশনায়ও এ বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, সংসদে ব্যবহৃত এ ধরনের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যা ও প্রচারণা চালানো হচ্ছে, যা জাতীয় ঐক্য ও স্থিতিশীলতার জন্য উদ্বেগজনক হতে পারে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পিসিসিপি প্রধানমন্ত্রীর কাছে দুটি দাবি উত্থাপন করেছে। দাবিগুলো হলো- জাতীয় সংসদের কার্যবিবরণী থেকে ডেপুটি স্পিকারের উক্ত বক্তব্য প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের শব্দ ব্যবহারের বিষয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন।

স্মারকলিপিতে সংগঠনের নেতারা দেশের সার্বভৌমত্ব, সংবিধান ও জাতীয় সংহতি রক্ষার স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

সম্পর্কিত আরও খবর

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড পেলেন রাঙ্গামাটির সাইমুন
জাতীয়৫ দিন আগে

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড পেলেন রাঙ্গামাটির সাইমুন

পরিবেশ ও জলবায়ু সুরক্ষা, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং দুর্যোগকালীন মানবিক কার্যক্রমে অবদানের স্বীকৃতি

আহমদ বিলাল খান
পর্যটন উন্নয়নে হাবীব আজমের অনন্য ভূমিকা: রাঙ্গামাটিতে গড়ে উঠছে আধুনিক ও নিরাপদ পর্যটন ব্যবস্থা
জাতীয়৭ জুন ২০২৬

পর্যটন উন্নয়নে হাবীব আজমের অনন্য ভূমিকা: রাঙ্গামাটিতে গড়ে উঠছে আধুনিক ও নিরাপদ পর্যটন ব্যবস্থা

ঝুলন্ত সেতু, সাজেক ও শিমুলতলীতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন; পর্যটন ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হলো প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্সিং কার্যক্রম।

আহমদ বিলাল খান
শ্রীমঙ্গলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন
জাতীয়৬ জুন ২০২৬

শ্রীমঙ্গলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন

সভায় দুই মহাকবির সাহিত্য-সংস্কৃতির অনন্য অবদান তুলে ধরা হয়।

এম. মুসলিম চৌধুরী, মৌলভীবাজার
পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানকে বহালের দাবিতে কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন
জাতীয়৩ জুন ২০২৬

পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানকে বহালের দাবিতে কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন

জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগে প্রতিবাদ; পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করে স্বপদে পুনর্বহালের দাবি।

ঝুলন দত্ত, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি
শ্রীমঙ্গলের পর্যটন বিকাশে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: আব্দুর রউফ
জাতীয়২৩ মে ২০২৬

শ্রীমঙ্গলের পর্যটন বিকাশে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: আব্দুর রউফ

আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে শ্রীমঙ্গলকে গড়ে তুলতে হারমোনি ফেস্টিভ্যাল সিজন-২ সফল আয়োজনের লক্ষ্যে জোর প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত।

এম. মুসলিম চৌধুরী, মৌলভীবাজার
জবি প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটিকে জকসুর প্রাণঢালা অভিনন্দন
জাতীয়২৩ মে ২০২৬

জবি প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটিকে জকসুর প্রাণঢালা অভিনন্দন

দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা, শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে নতুন নেতৃত্ব কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ জকসুর।

জবি প্রতিনিধি